আন্তর্জাতিক বাজারে তামার দাম এক সপ্তাহের সর্বনিম্নে নেমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ব্যাংকগুলোর ঋণ সংকট ঘিরে বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। ফলে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারের পতনের প্রভাবে তামার দাম কমেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) গত সপ্তাহের লেনদেনের শেষদিন শুক্রবার তিন মাসের সরবরাহের চুক্তিতে তামার দাম কমেছে দশমিক ৫ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য নেমেছে ১০ হাজার ৫৯৭ ডলার ৫০ সেন্টে। এদিন লেনদেনের এক পর্যায়ে ধাতবপণ্যটির দাম নেমে আসে টনপ্রতি ১০ হাজার ৪৩০ ডলারে, যা ১০ অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন।
বিদ্যুৎ ও নির্মাণ শিল্পে ব্যবহৃত ধাতুটির দাম ৯ অক্টোবর ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ হাজার ডলারে পৌঁছেছিল। তবে কমার্জব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও পণ্যবাজার গবেষণা প্রধান থু লান নুয়েন বলেন, ‘মার্কিন আঞ্চলিক ব্যাংকগুলোর শেয়ারের বড় পতনের প্রভাবে ধাতবপণ্যের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। কারণ এ তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থার বিষয়ে নতুন উদ্বেগ যোগ করেছে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের শীর্ষ তামা ব্যবহারকারী দেশ চীনের মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনাও বাজারে প্রভাব ফেলছে। গত বৃহস্পতিবার চীন জানায়, যুক্তরাষ্ট্র বেইজিংয়ের দুষ্প্রাপ্য খনিজ রফতানি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ‘অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি করছে’।
এদিকে সম্প্রতি তামার ঘাটতি নিয়ে যে আশঙ্কা ছিল তা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে বলে জানা গেছে। সাংহাই ফিউচার এক্সচেঞ্জের গুদামে ধাতবপণ্যটির মজুদ ৫৫০ টন বেড়ে এপ্রিলের পর সর্বোচ্চে পৌঁছেছে।